ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে অংশ নেয়া একটি মার্কিন সামরিক রিফুয়েলিং বিমান ইরাকে বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৩ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এ হতাহতের খবর নিশ্চিত করেছে।
এক বিবৃতিতে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায়, পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত সামরিক রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ছয়জন ক্রুর মধ্যে চারজন নিহত হয়েছেন।
সেন্টকম জানিয়েছে, বিমানটিতে থাকা ছয়জন ক্রু সদস্যের মধ্যে চারজনের মৃত্যুর তথ্য তারা নিশ্চিত হয়েছে। বাকিদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সেন্টকম আরও জানায়, বিমান বিধ্বস্তের কারণ এখনও তদন্তাধীন। তবে প্রাথমিক তদন্তে বলা হয়েছে, বিমানটি শত্রুপক্ষের হামলা বা নিজেদের বাহিনীর গুলির কারণে বিধ্বস্ত হয়নি।
এর আগে মার্কিন সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, দুর্ঘটনাটি ‘শত্রুপক্ষের হামলা বা নিজেদের বাহিনীর গুলির কারণে (ফ্রেন্ডলি ফায়ার)’ ঘটেনি। বিবৃতিতে বিমানটিকে ‘লস’ বা ‘ক্ষতি’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের সামরিক কার্যক্রম তদারকি করা ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ঘটনায় দু’টি বিমান জড়িত ছিল। এর মধ্যে একটি নিরাপদে অবতরণ করে এবং অন্যটি পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত হয়।
আরও এক মার্কিন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ঘটনায় জড়িত অন্য বিমানটিও একটি কেসি-১৩৫ ট্যাঙ্কার ছিল। সূত্র: আল জাজিরা
এক বিবৃতিতে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায়, পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত সামরিক রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ছয়জন ক্রুর মধ্যে চারজন নিহত হয়েছেন।
সেন্টকম জানিয়েছে, বিমানটিতে থাকা ছয়জন ক্রু সদস্যের মধ্যে চারজনের মৃত্যুর তথ্য তারা নিশ্চিত হয়েছে। বাকিদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সেন্টকম আরও জানায়, বিমান বিধ্বস্তের কারণ এখনও তদন্তাধীন। তবে প্রাথমিক তদন্তে বলা হয়েছে, বিমানটি শত্রুপক্ষের হামলা বা নিজেদের বাহিনীর গুলির কারণে বিধ্বস্ত হয়নি।
এর আগে মার্কিন সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, দুর্ঘটনাটি ‘শত্রুপক্ষের হামলা বা নিজেদের বাহিনীর গুলির কারণে (ফ্রেন্ডলি ফায়ার)’ ঘটেনি। বিবৃতিতে বিমানটিকে ‘লস’ বা ‘ক্ষতি’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের সামরিক কার্যক্রম তদারকি করা ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ঘটনায় দু’টি বিমান জড়িত ছিল। এর মধ্যে একটি নিরাপদে অবতরণ করে এবং অন্যটি পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত হয়।
আরও এক মার্কিন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ঘটনায় জড়িত অন্য বিমানটিও একটি কেসি-১৩৫ ট্যাঙ্কার ছিল। সূত্র: আল জাজিরা
আন্তজার্তিক ডেস্ক